আমরা অনেকেই ভাবি, “এই গরমটা কেন এত কষ্ট দিচ্ছে?” শুধু আবহাওয়ার দোষ নয়—এই গরম লাগার পেছনে লুকিয়ে আছে শরীরের জটিল কিন্তু চমৎকার কিছু বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। চলুন সহজভাবে জেনে নিই কেন আমাদের গরম লাগে এবং কীভাবে নিজেকে ঠান্ডা রাখা যায়।
গরম অনুভব হয় যখন বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অতিক্রম করে। মানুষের শরীরের স্বাভাবিক অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৬.৫° থেকে ৩৭.৫° সেলসিয়াস।তবে, এটি ব্যক্তি, বয়স, কার্যকলাপ এবং দিনের সময়ের উপর ভিত্তি করে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। যখন বাইরের তাপমাত্রা এই সীমার কাছাকাছি বা বেশি হয়, তখন শরীর ঘামের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ফলে গরম অনুভব হয়।
১. শরীর নিজেই তাপ তৈরি করে! কিন্তু কেন?
যখন আমরা চলাফেরা করি, হাঁটি, ব্যায়াম করি—আমাদের পেশীগুলো শক্তি তৈরি করে। এই শক্তির একটা অংশ তাপে রূপান্তরিত হয়। পেশী সংকোচনের সময় এটিপি (ATP) হাইড্রোলাইসিস হয় → এর ফলে তাপ উৎপন্ন হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় (মার্চ ২০২৪) দেখা গেছে, তীব্র ব্যায়ামের সময় পেশীগুলোর তাপ উৎপাদন ২৫% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে!
২. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ‘হাইপোথ্যালামাস’ নামের মিনি-কম্পিউটার
আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে।
এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে ঘামগ্রন্থিকে সক্রিয় করে → ঘাম তৈরি হয় → ঘাম বাষ্প হয়ে তাপ ছড়িয়ে যায়। শুধু হাইপোথ্যালামাস নয়, হৃদপিণ্ড, ত্বক, ও রক্তনালিও এই প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

৩. আর্দ্রতা বাড়লে গরম লাগে বেশি কেন?
এটা অনেকেই জানেন না—শুধু তাপ নয়, আর্দ্রতাও গরম অনুভব বাড়িয়ে দেয়।
যখন বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তখন ঘাম সহজে শুকায় না → ফলে শরীর ঠান্ডা হতে পারে না।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (মার্চ ২০২৫) জানিয়েছে, ৮০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায় তাপমাত্রার অনুভূতি ৫°C পর্যন্ত বেশি লাগতে পারে।
আর্দ্রতা বেশি থাকলে আমাদের শরীর থেকে ঘাম সহজে বাষ্পীভূত হতে পারে না। ঘাম বাষ্পীভূত হওয়ার মাধ্যমেই শরীর ঠান্ডা হয়। বাষ্পীভবন ব্যাহত হলে শরীর তার অতিরিক্ত তাপ হারাতে পারে না, ফলে আমাদের বেশি গরম লাগে। উচ্চ আর্দ্রতা → ঘাম বাষ্পীভবনের হার হ্রাস করে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২৫ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৮০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায় তাপমাত্রার অনুভূতি প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেশি হতে পারে।
৪. কারা গরমে বেশি কষ্ট পান?
- বয়স্কদের ঘামগ্রন্থি কম সক্রিয় হয়।
- শিশুদের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা এখনও পূর্ণ বিকাশ পায়নি।
Johns Hopkins University-এর তথ্য (2022):
বয়স্কদের ঘামগ্রন্থির কার্যক্ষমতা ৩০% কম → ফলে তারা গরমে বেশি অসুস্থ বোধ করেন।

৫. মানসিক চাপ গরম বাড়িয়ে দেয় কীভাবে?
স্ট্রেস হলে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ হয় → হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় → শরীর গরম হয়ে যায়।
মানসিক চাপ sympathetic nervous system অ্যাক্টিভ করে → তাপমাত্রা বাড়ে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (জানুয়ারি ২০২৫) এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র মানসিক চাপে ২০% মানুষের হৃদস্পন্দন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
স্ট্রেস হলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয় → হৃদস্পন্দন বাড়ে → শরীর উত্তপ্ত হয়। Mental stress is known for increasing body temperature → Mental stress activates sympathetic nervous system. আবেগ বা মানসিক চাপের সময় আমাদের স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা অ্যাড্রেনালিন এবং অন্যান্য হরমোন নিঃসরণ করে। এই হরমোনগুলো হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে শরীরে তাপ উৎপন্ন হতে পারে এবং গরম লাগতে পারে। অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ → অ্যাড্রেনালিন হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মাকোলজি বিভাগ কর্তৃক ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, তীব্র মানসিক চাপের সম্মুখীন হলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২০% এর বেশি হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি অনুভব করেছেন।
আরও জানুন-
মারাত্মক তাপপ্রবাহ: কীভাবে উচ্চ তাপমাত্রা শরীরকে প্রভাবিত করে
৬. বাইরের গরমে শরীরের কী হয়?
আমাদের শরীরের আদর্শ তাপমাত্রা ৩৬.৫°–৩৭.৫° C। যখন বাইরের তাপমাত্রা এই সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন শরীর ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু…যদি এই ব্যবস্থা কার্যকর না হয় তখনই আমরা বেশি গরম অনুভব করি।
গরমে কী খাবেন, কী খাবেন না?
খেতে পারেন:
- প্রচুর পানি
- তরমুজ, শসা, ডাবের পানি
- লবণযুক্ত ওরস্যালাইন
- এড়িয়ে চলুন:
- চর্বিযুক্ত খাবার
- ভাজাপোড়া, এগুলো হজমে সময় নেয় এবং শরীরে তাপ বাড়ায়।

৮. গরমে হতে পারে কোন রোগ?
গরমে হিটস্ট্রোক, হিট এক্সহশন, ডিহাইড্রেশন, ত্বকে ঘামাচি, ইনফেকশন, মাথা ঘোরা ইত্যাদি হতে পারে।
BIRDEM গবেষণা (2021):
বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে ৪৫% মানুষ হিট রিলেটেড অসুস্থতায় ভোগেন।
৯. গরমে ঘুম আসে না কেন?
ঘুমের সময় শরীর প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হয়।
গরমে এই ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় → ঘুমের সমস্যা হয়।
Stanford Sleep Lab (2020):
ঘুমের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ১৮°C → এর বেশি হলে REM sleep দেরিতে আসে।
১০. গরমে কেমন পোশাক পরা উচিত?
পরুন:
- ঢিলেঢালা, হালকা রঙের, সুতির পোশাক
এগুলো ঘাম শুকাতে সাহায্য করে শরীর ঠান্ডা রাখে। - এড়িয়ে চলুন:
- আঁটসাঁট বা সিনথেটিক কাপড়
ত্বকে বাতাস চলাচল বন্ধ হয় গরম লাগে।
আঁটসাঁট পোশাক আমাদের ত্বকের চারপাশে বাতাস চলাচল করতে বাধা দেয়। এর ফলে ঘাম সহজে শুকোতে পারে না এবং শরীর ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যার কারণে আমাদের গরম লাগে। আঁটসাঁট পোশাক পরিধান → ত্বকের বায়ু চলাচল সীমিত করে।
হালকা, সুতির এবং ঢিলেঢালা পোশাক ত্বককে শ্বাস নিতে দেয় → ঘাম দ্রুত শুকায় → শরীর ঠান্ডা থাকে। সিনথেটিক কাপড় তাপ আটকে রাখে → গরম বাড়ে।
১১. ফ্যান আর A.C: কোনটা কেমন কাজ করে?
- ফ্যান: বাতাস সরিয়ে দেয় ঘামের বাষ্পীভবন ত্বরান্বিত করে।
- এসি: সরাসরি ঘরের তাপমাত্রা কমায় দ্রুত আরাম।
তবে: দীর্ঘ সময় A.C ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে হাইড্রেশন জরুরি।

১২. তাপমাত্রা কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়?
হাইপোথ্যালামাস রিসেপ্টর দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা বুঝে নিয়ন্ত্রণ করে।
এই প্রক্রিয়াটির নাম থার্মোরেগুলেশন—যেটি স্নায়ুতন্ত্র ও হরমোনের সমন্বয়ে চলে।
থার্মোরেগুলেশন হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীব তাদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বজায় রাখে, এমনকি পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মুখেও। মানবদেহে এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া যা স্নায়ু এবং অন্তঃস্রাবী তন্ত্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
১৩. জ্বর হলে শরীর গরম হয় কেন?
জ্বর হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। সংক্রমণ বা প্রদাহের কারণে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ কোষগুলো পাইরোজেন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। পাইরোজেন হাইপোথ্যালামাসের থার্মোস্ট্যাটের স্বাভাবিক মান বাড়িয়ে দেয়, ফলে আমাদের শরীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং আমরা জ্বর অনুভব করি। ইন্টারলিউকিন-১ পাইরোজেন → ইন্টারলিউকিন-১ হাইপোথ্যালামাসের তাপমাত্রা নির্ধারণ বিন্দু বৃদ্ধি করে। বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল কর্তৃক ২০২৩ সালের আগস্ট মাসের ১০ তারিখে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের সময় শরীরে ইন্টারলিউকিন-১ এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০% পর্যন্ত বেশি থাকে।
সংক্রমণের সময় শরীর পাইরোজেন নামক পদার্থ নিঃসরণ করে → হাইপোথ্যালামাস তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় → শরীর গরম হয়।
BMRC রিপোর্ট (অগাস্ট ২০২৩):
ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে ইন্টারলিউকিন-১ হরমোন ৩০% পর্যন্ত বেশি নিঃসৃত হয়।
১৪. হরমোন ও ওষুধ কি গরম অনুভূতির কারণ?
অবশ্যই। কিছু হরমোনের পরিবর্তন, যেমন থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য (হাইপারথাইরয়েডিজম) বা মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেনের অভাব, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং গরম লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে। থাইরয়েড হরমোন বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি করে → থাইরয়েড হরমোন শরীরের তাপ উৎপাদন বাড়ায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ কর্তৃক ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ২০ তারিখে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে, হাইপারথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৩৫% অতিরিক্ত গরম লাগার অভিযোগ করেন।
হ্যাঁ, কিছু ওষুধ যেমন কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অ্যান্টিহিস্টামিন এবং ডিকনজেস্ট্যান্ট শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে এবং গরম লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে। কিছু অ্যান্টিহিস্টামিন ভাসোকনস্ট্রিকশন ঘটায় → ভাসোকনস্ট্রিকশন ত্বকে রক্ত প্রবাহ কমিয়ে দেয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফার্মাকোলজি বিভাগ কর্তৃক ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখে সম্পন্ন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট অ্যান্টিহিস্টামিন গ্রহণকারী ১০% রোগীর মধ্যে গরম লাগার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
- হাইপারথাইরয়েডিজম: বিপাক বাড়ায় → তাপও বাড়ে।
- মেনোপজ: ইস্ট্রোজেন কমে গেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়।
- কিছু ওষুধ (অ্যান্টিহিস্টামিন, ডিপ্রেসেন্ট): শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত করে।
রাজশাহী মেডিকেল (ফেব্রুয়ারি ২০২৫):
নির্দিষ্ট অ্যান্টিহিস্টামিন গ্রহণকারীদের ১০% গরম লাগার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করেছেন।
১৫. গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার ঘরোয়া উপায়
নিয়মিত পানি পান করা, ভেজা তোয়ালে ব্যবহার, দিনের গরম সময়ে বাইরে না যাওয়া, ঠান্ডা পানিতে পা ভেজানো। These practices provide rapid cooling → Confirmed by Bangladesh Institute of Tropical Medicine (2021).
- ঠান্ডা পানি পান করুন
- ভেজা তোয়ালে ব্যবহার করুন
- গরমের সময় বাইরে যাওয়া এড়ান
- ঠান্ডা পানিতে পা ভিজিয়ে রাখুন
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন (২০২১):
এই ঘরোয়া উপায়গুলো শরীর ঠান্ডা করতে দ্রুত কাজ করে।
HealthX আপনার পাশে:
আপনি যদি দ্রুত এবং সহজে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজতে চান বা নির্ভরযোগ্য ওষুধ বাসায় পেতে চান, তাহলে HealthX আপনার জন্য সেরা সমাধান!
🔹 বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজুন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন: Find Doctors Here
🔹 বাসায় বসে প্রয়োজনীয় ওষুধ পান: Order Medicine Online
HealthX এর মাধ্যমে আপনি বিশ্বস্ত চিকিৎসক, হাসপাতাল ও ফার্মেসি সংযোগ পেতে পারেন, যাতে আপনার স্বাস্থ্য নিরাপদ থাকে এবং আপনি দ্রুত চিকিৎসা পেতে পারেন।
দ্রুত ও সহজ অনলাইন ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
নির্ভরযোগ্য ওষুধ বাসায় ডেলিভারি
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ এক ক্লিকে
নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন – HealthX এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিন!
আরও জানুন-
মারাত্মক তাপপ্রবাহ: কীভাবে উচ্চ তাপমাত্রা শরীরকে প্রভাবিত করে